মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

প্রদত্ত সেবা সমূহ:

        ১) ক্লাস্টার অনুযায়ী মাসিক ভিত্তিতে বিদ্যালয় পরিদর্শন ও রিপোর্টের সারসংক্ষেপ নির্ধারিত ছকে মাউশি অধিদপ্তরে প্রেরণ।

        ২) জেলার নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি নবায়নের জন্য পরিদর্শন।

        ৩) শূন্য/সৃষ্ট পদে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে মহাপরিচালক, মাউশি, ঢাকা-এর প্রতিনিধি মনোনয়ন।

        ৪) শূন্য/সৃষ্ট পদে নিয়োগকৃত শিক্ষকের এমপিওভুক্তির কাগজপত্র অগ্রায়ন।

        ৫) শিক্ষকদের বিভিন্ন স্কেল প্রাপ্তিতে কাগজপত্র অগ্রায়ণ।

        ৬) পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক অডিট আপত্তির জবাব প্রধান শিক্ষক কর্তৃক প্রদানের পর মন্তব্যসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ।

        ৭) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিযোগের ভিত্তিতে তদন্তকরণ ও রিপোর্ট প্রেরণ।

        ৮) আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন।

        ৯) বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যপুস্তক-এর হিসাব উপজেলা থেকে সংগ্রহ পূর্বক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ।

        ১০) জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহসহ বিভিন্ন দিবস ও কর্মসুচি পালনে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন।

        ১১) জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সার্বিক দায়িত্ব পালন।

        ১২) জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন কল্পে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহন।

        ১৩) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদানের বিষয় তদারকি।

        ১৪) এনটিআরসিএ এর সনদপত্র বিতরণ ও তথ্য প্রেরণ।

        ১৫) বিদ্যালয়গুলিতে সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির প্রয়োগ, এসবিএ, ও পিবিএম কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতা প্রদান।

        ১৬) জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন।

        ১৭) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন।

        ১৮) স্কাউট ও গার্লস গাইড কার্যক্রমে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষন।

        ১৯) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কার্যক্রমে সমন্বয় সাধন।

        ২০) স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষকবৃন্দের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা।

        ২১) শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে প্রেরণ।

        ২২) আকস্মিক পরিদর্শন পূর্বক প্রাসংগিত রিপোর্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ।

        ২৩) প্রাতিষ্ঠানিক স্ব-মূল্যায়ন (ISAS) এর মাধ্যমে মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়সমূহ মূল্যালয় ও জাতীয় ভিত্তিতে গ্রেডিংকরণ।

        ২৪) IMS মডিউলে নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ কাজে সহায়তা প্রদান।

        ২৫) বৃক্ষরোপণের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে উদ্ভুদ্ধকরণ।

        ২৬) জেলা কোটা অনুযায়ী তফসিলি উপবৃত্তি মঞ্জুরকরণ।